বিবিসি রেডিওর সংবাদ পাঠক স্টুয়ার্ট হিবার্ড ১৯৪৫ সালের পহেলা মে যখন হিটলারের মৃত্যুর খবরটি পড়ছিলেন, তখন লন্ডনে রাত প্রায় সাড়ে দশটা। “দ্য জার্মান রেডিও হ্যাজ জাস্ট অ্যানাউন্সড দ্যাট হিটলার ইজ ডেড”- পড়ছিলেন তিনি।
অর্থাৎ, জার্মান রেডিও ওই সময়ই ঘোষণা দেয় যে হিটলার মারা গেছেন। এরপর এক সেকেন্ড বিরতি দিয়ে “আই রিপিট” বলে তিনি একই বাক্যের পুনরাবৃত্তি করেন।
সেদিন জার্মান রেডিওর এই ঘোষণা প্রথম ইংরেজিতে সম্প্রচার করে বিবিসি। জার্মান রেডিওর ঘোষণায় হিটলারের মৃত্যুর খবরের সাথে বলা হয় যে, হিটলার জার্মানির হয়ে বলশেভিকদের সাথে লড়াই করতে করতে মারা গেছেন।
হিটলার আর জীবিত নেই – সে খবর তখন পাওয়া গেলেও তার অনেক পরে জানা যায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
হিটলারের শেষ সময় তার সাথে বাংকারে অবস্থান করা তার সহচরদের সাক্ষাৎকার আর হিটলারকে নিয়ে হওয়া বহু গবেষণার ভিত্তিতে তার আত্মহত্যার বিষয়টিকে ঐতিহাসিকভাবে সত্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কিন্তু তার দেহাবশেষ কোথায় এবং তা নিয়ে কী করা হয়েছে, সে বিষয়ে আজও মতভেদ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।
হিটলারের মৃত্যুর ৪৮ বছর পর, ১৯৯৩ সালে প্রথমবার রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় যে, তার দেহাবশেষ তাদের কাছে রয়েছে। তারও সাত বছর পর ২০০০ সালে মস্কোতে এক প্রদর্শনীতে হিটলারের মাথার খুলির একাংশ দেখানোর দাবি করা হয়।