এটা কি চরম মানবাধিকার লংঘন নয়?

‘মাত্র ৩০ কেজি ওজনের ১১ বছরের একটা শিশুর পেটে বাচ্চা, আমরা জানি না তার ভবিষ্যৎ আসলে কী?’

“মেয়েটা যখন আমার চেম্বারে আসলো আমি তাকে তাকে জিজ্ঞেস করি মা তোমার কী হইছে? মেয়েটা তখন খুব ভয় পাচ্ছিল। তখন মেয়েটির হাতে একটা কলম ও চকলেট দিয়ে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলাম। তারপর আবার জিজ্ঞেস করলাম, মা তোমার কি হয়েছে বলো?”

”মেয়েটা বলল- ‘ম্যাডাম আমার পেটটা ভারভার লাগে, পেটের মধ্যে কি জানি লড়েচড়ে। তারপর তার মার কাছ থেকে পুরো ঘটনাটা শুনলাম,” বিবিসি বাংলার কাছে কথাগুলো বলছিলেন নেত্রকোণার গাইনি চিকিৎসক সায়েমা আক্তার।

মিজ আক্তার যেই শিশুটির কথা বলছিলেন তার বয়স মাত্র ১১ বছর। তিনি পড়েন নেত্রকোণার মদন উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে।

গত ২৩শে এপ্রিল ওই শিশু শিক্ষার্থীর পরিবার মদন উপজেলায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় অভিযোগ করেন গত বছরের নভেম্বরে তার মাদ্রাসাটির শিক্ষক তাকে ধর্ষণের পর বিষয়টি জানাজানি না করতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

পরে শিশুটির পরিবার বিষয়টি জানতে পারে গত এপ্রিলে। অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, গত কয়েকদিন ধরে শিশুটির শারীরিক আকৃতিতে পরিবর্তন আসার পর তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে জানতে চান। এক পর্যায়ে শিশুটি ঘটনাটি জানানোর পর তারা থানায় মামলা দায়ের করে।

গত বৃহস্পতিবার শিশুটির পেটে অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পেয়ে মদন উপজেলার একটি হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা।

ওই শিশুটির আলাট্রাসনোগ্রাম করার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটির পরিস্থিতি তুলে ধরে ছোট একটি ভিডিও আপলোড করেন চিকিৎসক মিজ আক্তার।

বিস্তারিত পড়ার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

https://www.bbc.com/bengali/articles/cz72envle5yo

1 Comment

  • Great content! Keep up the good work!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© 2026 – Muktokothon | All Rights Reserved. powered by Emon