এই লেখাটি ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে এথিস্টনোট পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। নিচে লেখা এবং লেখার অনলাইন লিংক সংযুক্ত করা হলো।
ধর্ম-সংক্রান্ত সংস্কার এর কথা কেউ তুলছে না কেন?
আওয়ামী সরকার পতনের পর বহু সংস্কার নিয়ে আলোচনা চলছে, কমিটি হয়েছে, রিপোর্ট হয়েছে, হচ্ছে, হবে। বাস্তবায়ন কবে হবে কে জানে!
তবে একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম। আওয়ামী পতনের পর উগ্র মৌলবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠলেও এ-ব্যাপারে কোনো সংস্কার বা সংযমের কোনো কথা নেই কারো মুখে! অথচ এই জায়গায় দরকার ছিল সবচেয়ে বড় সংস্কার।
প্রথমতঃ সংবিধান থেকে কোনো ধর্মের প্রাধান্য বাদ দেওয়া। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটা না হলে সংখ্যালঘু-সংক্রান্ত ব্যাপারটা থেকেই যাবে, আর বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতা থেকেই যাবে। ভারতরে মোদীর মতো হওয়া চলবে না।
দ্বিতীয়তঃ সমকামীতাকে ফৌজদারি দণ্ড দেওয়ার মতো অপরাধ গণ্য করা যাবে না। ৩৭৭ এর অবলুপ্তি বা সংস্কার প্রয়োজন। এটা না হলে আমরা বাইরে বৈষম্যমূলক রূপ থেকেই যাবে।
তৃতীয়তঃ ধর্মের প্রচার ও অপপ্রচার এমনভাবে করা যাবে, এটা দাঙ্গার মতো মনে হয়। ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা আইন করে নিষিদ্ধ করে দিতে হবে। নারীর সম্পত্তির আইন এর মতো দেশ পরিবর্তন হতে হবে।
অনেক কঠিন সত্যই হজমযোগ্য হয়না। আমাকেও নাস্তিক ট্যাগ দেওয়া হয়। কিন্তু মুসলমানরা আধুনিক যুগের সাথে না হাঁটলে তারা হারিয়ে যাবে যুগকালের উত্থানে।
